সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২২ অপরাহ্ন

পৌরসভা ঘোষণার ১৬ বছরেও কোন উন্নয়ন ছোয়া লাগেনি বাঘাইছড়ির মাষ্টার পাড়ায়

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

আবু নাছের(গিরিসংবাদ)-৮অক্টোবর-২০২০ইং
রাংগামাটি জেলার বাঘাইছড়ি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া গ্রামের মানুষের জন্য বাঘাইছড়ি পৌরসভা যেন কাল হয়ে দাড়িয়েছে । ২০০৪সালে মারিশ্যা ইউনিয়ন থেকে বাঘাইছড়ি পৌরসভায় উন্নতি হলেও আজ ২০২০সালে দীর্ঘ ১৬ বছরেও কোন উন্নয়নের ছিটা ফোটা লাগেনি মাষ্টার পাড়া গ্রামের অর্ধ শতাধিক মানুষের। তারা পৌর শহরে বসবাস করলেও তারা যেন সব কিছুতেই পড়ে আছে শত বছর আগের দ্যান ধারনায়। একটু বৃষ্টি হলেও সদরের সাথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এই অসহায় মানুষ গুলো। রাস্তা ঘাট বিদ্যুৎ ব্যাবস্থার নাজেহাল অবস্থা। বর্ষার মৌসুমে নৌকা তাদের একমাত্র ভরসা কিন্তু শুকনা মৌসুমে তাদের দুঃখের শেষ নেই কাঁদা যুক্ত রাস্তায় তাদের ঘর বন্দী হয়ে থাকতে হয়।শত বছর বয়সি জয়নাল নামের এক মুরুব্বি এই প্রতিবেদককে দেখে হু হু করে কেঁদে উঠেন তিনি বলেন দীর্ঘ দিন এলাকার কাউন্সিলর বা মেয়রের সাথে যোগাযোগ করলে ও আশ্বাস টুকু মিলে না এদিকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি পৌরসভায় যোগাযোগ করতে বলেন একবার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষকেতু চাকমা দয়া করে এক লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন রাস্তা সংস্কারের জন্য সরকারি এই অনুদান ব্যাতিত আমরা কোন উন্নয়ন প্রকল্প পায়নি তাই আমাদের দুর্ভোগের কোন শেষ নেই।
অত্র এলাকার বাসিন্দা ও পৌর আওয়ামীগ নেতা নুরুল ইসলাম বলেন আমি কাউন্সিলর মেয়র উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ অনেক নেতাদের পিছনে অনেক ছুটা ছুটি করলেও কোন কাজ হয়নি ভোটের সময় সবাই কথা দেয় কিন্তু ভোটের পর আর কেউ কথা রাখে না।
অত্র ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমরা অল্প বাজেট পাই সেইটা দিয়ে কাজ করা সম্ভব হয় না তা ছাড়া তিনি মহিলা কাউন্সিলরের উপর দোষারপ করেন বলেন মহিলা কাউন্সিল আমেনা তার সাথে কোন পরামর্শ করেন না তাকে প্রশ্ন করা হলে আপনি তিনবার নির্বাচিত হওয়ার পর কেন কোন উন্নয়ন করেননি সেই প্রশ্নের কোন সৎ উত্তর তিনি দিতে পারেন নি।
এদিকে বাঘাইছড়ি পৌরসভার মেয়র জাফর আলী খান বলেন, আমার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মাষ্টার পাড়ার জনগণ অনেক কষ্ট করছেন আমি সরজমিনে গিয়ে দেখেছি সেকানে কোটি টাকার বাজেট দরকার কিন্তু আমাদের পৌর পরিষদের পক্ষে এত বড় বাজেট দেওয়া সম্ভব না তাই আমি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলেছি তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন হয়তো সামানের জুন মাসে উন্নয়ন বোর্ড থেকে রাস্তাটা করতে পারবো। #

এই বিভাগের আরো সংবাদ