শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০২:০৯ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে জবল-ই-নূর চক্ষু চিকিৎসালয়ের বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

রাঙামাটিতে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জবল-ই-নূর চক্ষু চিকিৎসালয়ের উদ্যোগে বিনাম্যূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে বনরূপার বাদশা মিয়া সড়কে জবল-ই-নূর চক্ষু চিকিৎসালয় প্রাঙ্গণে দিনব্যাপি কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্যানেল মেয়র ও ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জামাল উদ্দীন।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জবল-ই-নূর চক্ষু চিকিৎসালয়ের চিকিৎসক চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাকো সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ মুরাদ। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. কামাল হোসেনের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি প্রতিবন্ধী স্কল ও পুণর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালক মো. নুরুল আবসার। অন্যান্যের মধ্যে দৈনিক রাঙামাটি পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সুফিয়া কামাল ঝিমি, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আরমান চৌধুরী পুতুল, লায়ন দাতব্য চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. উজ্জল চক্রবর্তী, জবল-ই-নূর চক্ষু চিকিৎসালয়ের সিনিয়র প্যারামেডিক লিপেং চাকমা, সিনিয়র চিকিৎসক রঞ্জিত নাথ, রিফ্রাকশনিষ্ট মো. আলাউদ্দীন, প্রতিষ্ঠান সহকারী বেবী আক্তার, প্রিমা চাকমা, জান্নাতুল ফেরদৌস রিপাসহ জবল-ই-নূর চক্ষু চিকিৎসালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও উপকার ভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তব্য ডা. শেখ মোহাম্মদ মুরাদ বলেন, চোখ অমূল্য সম্পদ। দীর্ঘদিন যাবৎ এ অঞ্চলের মানুষরা অবহেলার শিকার, উন্নতমানের চিকিৎসা এখানে সম্ভব না হওয়ায় সকলকে চট্টগ্রাম যেতে হতো। বিষয়টি আমি জানার পর ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য দিপংকর তালুকদার এমপি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলাপ আলোচনা করে এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করি। আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ১০ উপজেলার রোগীরা সেবা নিচ্ছেন। ইতিমধ্যে আমরা ৬৩৮জন রোগীর সফলভাবে অপারেশন সম্পন্ন করেছি। আগামীতেও যেন এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারেন তাই তিনি সকলের কাছে দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্য জামাল উদ্দীন বলেন, জবল-ই-নূর চক্ষু চিকিৎসালয় যাত্রা শুরুর পর ইতিমধ্যে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ করেছে। এতদিন এখানে ভালো মানের চক্ষু চিকিৎসালয় ছিলোনা। কিন্তু এ প্রতিষ্ঠানটি একটি ছোট একটি হাসপাতালের মতো। যার ফলে রাঙামাটির মানুষ চট্টগ্রামে না গিয়ে রাঙামাটি থেকেই চিকিৎসা নিতে পারছে। আমি এই প্রতিষ্ঠানে উন্নতি কামনা করছি।

এই বিভাগের আরো সংবাদ